বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সমিতির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আমাদের ডেস্ক :: সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ৯/৩/২০১৪ পরবর্তি টাইম স্কেল জটিলতা, শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি, বেতন স্কেল দশম গ্রেড প্রদান, বিদ্যালয়ের সময়সূচি কমানো ও চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পদে স্থায়ীকরণ বিদ্যালয়ের সময় সূচি ১০টা-৩টা করার দাবীতে রাজধানীর ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের মিলনায়তনে শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় নীতি নির্ধারণী কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি মো: বদরুল আলম মুকুল।সভায় প্রধান আলোচক মো: দেলোয়ার হোসেন বলেন যে, জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ গেজেট অনুসারে ১৪/১২/২০১৫ ইং পর্যন্ত দেশের সকল সরকারি কর্মচারীগণ টাইম স্কেল সুবিধা পেলেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ টাইম স্কেল সুবিধ থেকে বঞ্চিত। আমরা কর্তৃপক্ষের কাছে এ নিয়ে অনেক আবেদন নিবেদন করেও কোন সামাধান পাইনি। সুতরাং এই টাইম স্কেল সুবিধা পাওয়ার জন্য আমরা সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ০৯/০৩/২০১৪ থেকে প্রধান শিক্ষক পদটি দ্বিতীয় শ্রেণী ঘোষণা করলেও অদ্যাবধি আমরা সেই সুবিধা পাইনি। প্রধান শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডেই বেতন প্রদান করা হ্েচ্ছ। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পূর্ণ বাস্তবায়ন চাই।”
দেশের সকল সরকারি কর্মচারী প্রতি তিন বছর পরপর প্রাপ্তি বিনোদন ভাতা ও ছুটি পেয়ে থাকলেও শুধুমাত্র সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ এ সুবিধা পেতে ৩ বচরের পরিবর্তে ৪ বছর লেগে যায়। এতে সমগ্র চাকুরী জীবনে ৩-৪টি প্রাপ্তি বিনোদন সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়।
প্রাথমিক শিক্ষায় সকল কর্মচারী/কর্মকর্তার পদোন্নতি থাকলেও শুধুমাত্র প্রাধান শিক্ষকদের কোন পদোন্নতি নেই। ফলে উচ্চ শিক্ষিত মেধাবীরা এ পেশায় আকৃষ্ট হচ্ছেনা। এতে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগতমান ব্যহত হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের সময় অীধক হওয়ায় কোমলমতি শিশুদের অধিক সময়ে বিদ্যালয়ে ধরে রাখা যায় না, ফলে দিন দিন শিক্ষার্থী সংখ্যা কমে যাচ্ছে সুতরাং বিদ্যালয়ের সময় সূচী সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জানাচ্ছি।
২০১৭ সাল থেকে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদে সহকারী শিক্ষকদের চলতি দায়িত্ব প্রদান করা হয়। কিন্তু পূর্ণ দায়িত্ব অর্পন না করায় তারা যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা থেকে বঞ্চিত। ইতোমধ্যে অনেকেই চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রদান শিক্ষক চলতি দায়িত্ব নিয়েই অবসরে চলে যাচেছন যা মোটেও কাঙিখত নয়। উপরিউক্ত বিষয়গুলো সমাধান না হলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ আবারো আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন।
সভায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন সাখাওয়াত হোসেন, মো: খোরশেদ আলম, আব্দুল হালিম, মোয়াজ্জেম হোসেন, আইয়ুব আলী, আব্দুর রহমান, নাসিমা বিশ্বাস, জাহিদ হোসেন, মাহবুব, সৈয়দ আলী, জাহাঙ্গীল আলম, ইমরান ভূঁইয়া প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*