শনিবার আঘাত হানবে ‘রোয়ানু’, ৭ নম্বর বিপদসংকেত

2016_05_20_16_17_15_WnyEr3TbBkTy5r0TJpG2FuKez6lQlp_800xautoস্টাফ করেসপন্ডেট :
পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’ দ্রুততার সঙ্গে উপকূলের দিকে ধেঁয়ে আসছে। আগামীকাল শনিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম-নোয়াখালী উপকূলে ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরে ১২ নম্বর বিশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে, শুক্রবার দুপুর ১২টা নাগাদ ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ৯৬৫ কিলোমিটার, কক্সবাজার থেকে ৯৪৫ কিলোমিটার, মংলা বন্দর থেকে ৭৭৫ কিলোমিটার এবং পায়রা বন্দর থেকে ৮১০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি দ্রুততার সঙ্গে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে ধাবিত হচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড়ের কারণে চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং তৎসংলগ্ন উপকূলীয় চরগুলোয় ৭ নম্বর বিপদসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়া কক্সবাজার ও তৎসংলগ্ন দ্বীপ ও চরগুলোয় ৬ নম্বর, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ৫ নম্বর বিপদসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তৎসংলগ্ন দ্বীপ ও চরগুলো ৫ নম্বর বিপদসংকেতের আওতায় থাকবে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে এসব এলাকার নিম্নাঞ্চল সাধারণ জোয়ারের তুলনায় ৪-৫ ফুট উচ্চতার পানিতে প্লাবিত হতে পারে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।সাগর উত্তাল হয়ে উঠছে, তাই মাছ ধরার ট্রলার ‌ও নৌকাসমূহকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

এদিকে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম, বরগুনা, বাগেরহাটসহ বেশকিছু উপকূলীয় অঞ্চলে প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারির সকল ছুটি বাতিল করে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কর্মস্থলে থাকতে বলা হয়েছে।

এদিকে নিম্নচাপের প্রভাবে গতকাল থেকে জেলা শহরসহ উপকূলীয় এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। কক্সবাজারে গত ২৪ ঘন্টায় ৭৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*