বৃহত্তর ঈদগাঁওতে জামায়াতের প্রার্থী দেওয়ার গুঞ্জন

eidghaস্টাফ রিপোর্টার :: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বৃহত্তর ঈদগাঁওর ৬ ইউনিয়নে জামায়াত ইসলামী একক প্রার্থী দেওয়ার গুঞ্জন উঠেছে। সেসব প্রার্থীরা প্রার্থিতা ঘোষনার পাশাপাশি মাঠেঘাটে প্রচারণায় নেমে পড়েছে। তাদের প্রচারণায় বাঁধা হয়ে দাড়িয়েছে বিএনপির একক প্রার্থীদের। গত ইউপি নির্বাচনে যে যার মত করে নির্বাচন করলেও ৬ ইউনিয়নের মধ্যে ২ ইউনিয়নে জামায়াত ঘরানার প্রার্থী জয়লাভের পাশাপাশি চলমান নির্বাচনে পুরো জেলা থেকে জামায়াতের সিনিয়র নেতৃবৃন্দরা জয়ী হয়ে উঠলে বৃহত্তর ঈদগাঁওয়ের জামায়াত ইসলাম প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জামায়াতের কর্মীরা জানিয়েছে। ইতিমধ্যে ইসলামপুর ইউনিয়নে জামায়াত ইসলামের প্রার্থী হিসাবে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রশিবিরের ছাত্র কল্যান বিষয়ক সম্পাদক, তুখোড় ছাত্রনেতা দেলোয়ার হোছাইন। ইসলামাবাদে সাবেক ছাত্রনেতা ও বর্তমান জামায়াত ইসলামীর সক্রিয় কর্মী এডভোকেট আমিনুল ইসলাম। ঈদগাঁও ইউনিয়নে সাবেক ছাত্রনেতা নুরুল হক নুর নির্বাচনী মাঠ সরগরম করে তুলেছেন। তবে জালালাবাদে জামায়াতের আমির সেলিম উল্লাহ জিহাদী নির্বাচন করতে পারে বলে গুঞ্জন উঠেছে। স্থানীয় ভোটাররা মনে করেন আসন্ন নির্বাচনে জামায়াত ইসলাম একক প্রার্থী দিলে বিএনপির জন্য চরম ক্ষতি হবে। কারণ বিএনপি-জামায়াতের কর্মীরা একসময় তাদের পছন্দের প্রার্থী নির্বাচন করলেও এবারের নির্বাচন ভিন্ন হওয়ায় কিছুটা নাড়াচাড়া হতে পারে বলে তাদের ধারণা। মনিরুল ইসলাম নামের ইসলামপুরের এক ভোটার জানান, তাদের ইউনিয়নে জামায়াতের প্রার্থী হিসাবে দেলোয়ার হোসেন প্রচারণা চালালে কোনঠাসা হয়ে পড়েছে বিএনপির একক প্রার্থী, সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে আওয়ামীলীগের প্রার্থী। গতবারের নির্বাচনে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়লাভ করলে তাকে কোন উন্নয়ন করতে দেখেনি বলে জানায়। তাই তারা এবারে দেখে শোনে তাদের পছন্দনীয় প্রার্থী নির্বাচিত করবে। অপরদিকে চৌফলদন্ডী ও পোকখালীতে তাদের একক প্রার্থী দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। সচেতন ব্যক্তিদের মতে, আগের দিনে জামায়াত-বিএনপি একসাথে নির্বাচন ও আন্দোলন-সংগ্রাম করে আসলেও এবারের ইউপি নির্বাচনে ভিন্নরূপে হওয়ায় আওয়ামীলীগের প্রার্থীরা এগিয়ে থাকবে বলে মতামত ব্যক্ত করে। জামায়াত-বিএনপি আলাদা হয়ে নির্বাচনমুখী হওয়ায় ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীরা জয়লাভ করবে বলে জানান। জামায়াতের একজন সিনিয়র নেতা জানান, জামায়াতের দুর্দিনের সময় বিএনপিকে কাছে না পাওয়ায় তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে এ প্রতিনিধিকে জানায়। এ ব্যাপারে উপজেলা পর্যায়ের একজন বিএনপি নেতা জানান তারা তাদের একক প্রার্থীর জয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত মাঠে-ময়দানে কাজ করে যাবেন। উপজেলা আওয়ামীলীগের এক নেতা জানান, দলের একক প্রার্থী ছাড়া বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকলে প্রত্যেক ইউনিয়নে তাদের প্রার্থী জয়ী হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*