আওয়ামীলীগের তৃনমূল নেতাকর্মীদের বর্ধিত সভায় খুনিয়াপালংয়ে মাবুদ চেয়ারম্যানকে নৌকা প্রতীকের একক প্রার্থী ঘোষণা

mabud pic 2
খুনিয়াপালং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় বর্তমান সফল চেয়ারম্যান, জেলা যুবলীগের প্রভাবশালী নেতা জননেতা আবদুল মাবুদকে আওয়ামীলীগের একক প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৫ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল  ১১টায় ধেছুয়াপালং সরকারি প্রাইমারী স্কুল মাঠে বর্ধিত সভায় দলের ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সরাসরি ভোটে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। একযোগে তাকে একক প্রার্থী হিসাবে মেনে নিয়ে আগামী নির্বাচনে নৌকা প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, জেলা সভাপতি এড. সিরাজুল মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান, কক্সবাজার সদর-রামু আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নেতাকর্মীরা। ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক কবির আহমদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের মেম্বারের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আবুল বশর, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোঃ আলী সওদাগর, ফরিদুল আলম, পেচারদ্বীপের মেম্বার নুরুল আলম নুরু, বিশিষ্ট দানবীর হাজী ফরিদ আহমদ, সমাজসেবক হাজী রশিদ আহমদ, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ হোছেন, ১নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি শাহাব উদ্দিন মেম্বার, সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক ম্যানেজার, ২নং ওয়ার্ড সভাপতি ছৈয়দ আহমদ, সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী, ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি শাহ আলম ড্রাইবার, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী, ৪নং ওয়ার্ড সভাপতি হাজী ফরিদ আহমদ, সাধারণ সম্পাদক জাকের উল্লাহ সওদাগর, ৫নং ওয়ার্ড সভাপতি রমিজ আহমদ, সাধারণ সম্পাদক গুরা মিয়া চৌধুরী, ৬নং ওয়ার্ড সভাপতি মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক মোস্তাফিজুর রহমান হেডম্যান, সাধারণ সম্পাদক হাবিব উল্লাহ, ৭নং ওয়ার্ড সভাপতি আলী আহমদ সওদাগর, সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন, ৮নং ওয়ার্ড সভাপতি মোঃ তৈয়ব, সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম বদু, ৯নং ওয়ার্ড সভাপতি কামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক  বাবুল আহমদ। ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও আবদুল্লাহ বিদ্যুৎ, সাধারণ সম্পাদক হাবিব উল্লাহ কোম্পানী, কৃষকলীগের আহবায়ক আবদুল গফুর কোম্পানী, যুগ্ম আহবায়ক মোঃ সুলতান ও আবদুস সালাম বাদল, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আবদুল করিম ভুট্টো, সাধারণ সম্পাদক মনজুর আলম, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক মোরশেদ হোসেন কামরুল, জাতীয় শ্রমিক লীগ ইউনিয়ন শাখার সভাপতি আমির হামজা, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের আহবায়ক রায়হান উদ্দিন ছোট্টু, যুগ্ম আহবায়ক নজিবুল হক, বাস্তুহারা লীগের সভাপতি আবদুল হক, সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের, মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী পারভিন আকতার, সাধারণ সম্পাদক সুকুমা বড়–য়া। তৃণমূলের বর্ধিত সভায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন আবদুল মাবুদ, আবদুল্লাহ বিদ্যুৎ, কবির আহমদ ও আলী আহমদ সওদাগর। এতে সরাসরি ভোটে সর্বোচ্চ রায় পেয়ে দলের একক প্রার্থী নির্বাচিত হন যুবলীগ নেতা ও বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুল মাবুদ। সভায় আওয়ামীলীগের তৃণমূল নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে শত শত নারী পুরষ সমবেত হয়ে আবদুল মাবুদ চেয়ারম্যানকে মনোনয়ন দেয়ার স্লোগান তোলে।
সভায় বক্তারা বলেন, বিগত ৫ বছরে জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের হাত ধরে খুনিয়াপালং ইউনিয়নে আবদুল মাবুদ চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। গণমানুষের নেতা হিসাবে পাহাড় সমান জনপ্রিয়তা নিয়ে তিনি নৌকা প্রতীকের যোগ্য প্রার্থী। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তাকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হলে সহজে বিজয়ী হওয়া সম্ভব। নেতৃবৃন্দ দাবী করেন, জনবিচ্ছিন্ন ও বিভিন্ন সময় নৌকার মিছিলে হামলাকারী, দলবদলকারী সুবিধাভোগীদের মনোনয়ন দিলে বিজয় সম্ভব নয়। তাই সকল অপশক্তি প্রতিরোধ করে বর্তমান সফল চেয়ারম্যান আবদুল মাবুদকে মনোনয়ন দিলে দলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে পাশাপাশি সাধারণ ভোটাররাও তাকে সমর্থন যোগাবে। তাই কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃবৃন্দের প্রতি তাকে মনোনয়ন দেয়ার জোর দাবী জানানো হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*