দেশে সর্বোপরি লবণের চাহিদা ২৪ লাখ টন —–আলহাজ এম এ মোনাফ

monaf copyস্টাফ রিপোর্টার:
বাংলাদেশ লবণ মিল মালিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলহাজ এম এ মোনাফ বলেন, দেশে সর্বোপরি লবণের চাহিদা ২৪ লাখ টন। লবণের মৌসুম নভেম্বর থেকে জুন মাস। মৌসুমের পাঁচ মাস ইতোমধ্যে চলে গেছে। বাকী আছে মাত্র তিনমাস। এখন পুরো মৌসুম। কিন্তু মাঝে-মধ্যেই আবহাওয়া খারাপ যাচ্ছে।  এতে উৎপাদন ব্যাহত হবে। আমার জানামতে, এ পর্যন্ত উৎপাদন হয়েছে মাত্র আড়াই লাখ টন। তাই আমার মনে হচ্ছে, আমাদেরকে আমদানীতে যেতেই হবে।
আমাদের চট্টগ্রামকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
তিনি বলেন, লবণচাষীরা গত দু’বছর যাবৎ মূল্য পাচ্ছে। ইতোপূর্বে কখনো তারা এত টাকা পায় নি। বর্তমান সরকার উদ্যোগ নেয়ার ফলেই চাষীরা এই টাকা পাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আজকেও মিল মালিকরা এক বস্তা লবণ কিনেছে ৯০০ টাকায়। আবার ১০৫০ টাকা পর্যন্ত বাজার উঠানামা করছে।
তিনি বলেন, বিসিক কর্মকর্তারা কখনো মাঠে যায় না। তারা ঘরে বসে লবণের চাহিদা নিরূপণ করে থাকে। ফলে চাহিদা এবং উৎপাদনের হিসাবে গরমিল হয়। তিনি বলেন, আমরা ধানের জমি লিজ দেই মাত্র ৫ হাজার টাকায়। সেক্ষেত্রে লবণের জমি লিজ নেয় কৃষকরা ২৫ হাজার টাকায়। কারণ লবণের সব জমির মালিকানা সরকারের। এসব জমি প্রভাবশালী মহল সরকারের কাছ থেকে কম মূল্যে লিজ নিয়ে চাষীদের কাছে লিজ দেয় উচ্চমূল্যে। এই প্রভাবশালীরা মধ্যস্বত্বভোগী হিসাবে ফায়দা লুটে নেয়।
জনাব মোনাফ বলেন, চট্টগ্রাম, খুলনা, নারায়নগঞ্জ, ঝালকাঠিতে অধিকাংশ মিল বন্ধ। এখন পুরো মৌসুমে যদি মিল বন্ধ থাকে, তবে মৌসুম চলে গেলে কি হবে ? লবণ আমদানী ছাড়া বিকল্প থাকবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*